মেনু নির্বাচন করুন

প্রজাপতির দৃশ্যে

১৯৯০ সালে প্রথম দিকে বাবু প্রচারক চাকমা, বাবু জয়ন্তর চাকমা,বাবু কল্যাণ জ্যোতি চাকমা এলাকার সুখ শান্তি ফিরিয়ে আনতে তারা শ্রদ্ধেয় বনভান্তের কাছে এলাকার অবস্থার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করবেন বলে মনস্থ করলেন।পরে বাবু দলকুমার চাকমা (বর্তমান সুবলং শাখা বন বিহার সভাপতি) সহ কিছু সংখ্যক নেতৃস্থানীয় বিশিষ্ট দায়ক/দায়িকা জুরাছড়ি (শলক) এলাকার দু:খদুর্দশা পাপের কালিমা মোচন করতে মহামানব শ্রদ্ধেয় বনভান্তের আনায়নের জোর প্রচেষ্টা চালান।মঙ্গল হোক এই শতকে মঙ্গল হোক সবার এই চিন্তা মাথায় রেখে তখনকার প্রায় দু‌‌দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতা অর্থনৈতিক দারিদ্রতা সত্ত্বেও এলাকার পূণ্যকামী সাধারণ দায়ক/দায়িকা রাজবন বিহারে গিয়ে শ্রদ্ধেয় বনভান্তের প্রমূখ ভিক্ষুসংঘের সান্নিধ্য লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। ক্রমশ: দান করা হয় একটি শ্রমন শালা ও একটি আবাসিক ভিক্ষুর পাকা ভাবনা কুঠির।


Share with :

Facebook Twitter