মেনু নির্বাচন করুন
ইউনিয়ন সমাজ সেবা অফিস

সমাজসেবা অধিদফতরাধীন ইউনিয়ন সমাজসেবা কার্যালয়টি জুরাছড়ি্ উপজেলা সদরের উপজেলা নিবার্হী অফিসার কার্যালয়ের মূল ভবনের নীচ তলায় অবস্থিত। এটি জুরাছড়ি উপজেলার কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন কার্যালয় নেই তবে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কার্যক্রম সাধারণত ৪টি ইউনিয়নের  সমাজসেবা অধিদফতরাধীন অন্যান্য কার্যক্রমসমূহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। উপপরিচালক, উপজেলা পর্যায়ে সমাজসেবা অধিদফতরের কর্ণধার। কার্যালয়ে সরকারের প্রদত্ত নির্দেশনা ও নীতিমালার আলোকে কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়ে থাকে এবং কার্যালয়ে রয়েছে নিজস্ব সিটিজেন চার্টার।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

প্রথম ধাপ

সরকারের বরাদ্দ ঘোষণা

দুঃস্থ ও বয়ষ্ক মানুষদের আর্থিক ভাবে সহায়তা করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে জেলা ভিত্তিক অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। শহর সমাজ সেবা অফিস হতে উপ বরাদ্দ পত্রের মাধ্যমে পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এই পত্রের মাধ্যমে কতজনকে বয়ষ্ক ভাতা দেয়া হবে তা উল্লেখ থাকে। 

 

দ্বিতীয় ধাপ

দুঃস্থ মানুষদের তালিকা প্রস্তুত

উপ বরাদ্দের চিঠি পাওয়ার পর মেয়র মহোদয় এ বিষয়ে একটি বিশেষ সভা আহবান করেন। সভায় জনপ্রতিনিধিদের কোটা নির্ধারন করা হয়। নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জনপ্রতিনিধিগনকে তাদের নিজ নিজ এলাকার বয়ষ্ক ভাতা পাওয়ার উপযোগী মানুষের তালিকা দিতে বলা হয়। জনপ্রতিনিধিগন তাদের নিজ নিজ এলাকার এরকম মানুষদের চিহ্নিত ও তালিকা প্রস্তুত করে নির্ধারিত দিনের মধ্যে ডেসপাসে জমা দেন।

 

তৃতীয় ধাপ

তালিকা চুড়ান্তকরণ

সম্পুর্ণ তালিকা পাওয়ার পর প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটির সভা আহবান করা হয়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে সভাপতি করে ৫ / ৭ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্ড কমিটি গঠিত হয়। সভায় যাঁচাই- বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর তালিকা চুড়ান্ত করা হয়। এরপর, তালিকাটিশহর সমাজ সেবা অফিসে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

সেবা সমূহ

সেবা প্রাপ্তির স্থান

সেবা গ্রহীতা

সেবা প্রাপ্তির সময়সীমা

প্রতিকার বিধানে নিয়োজিত কর্মকর্তা

পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় সুদমুক্ত ঋণ প্রদান।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন

পল্লী এলাকার দুঃস্থ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী

চলমান কার্যক্রম

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পূনর্বাসন কার্যক্রম।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন

এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি

চলমান কার্যক্রম

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

আর্থ-সামাজিক ও দক্ষতা উন্নয়ণ প্রশিক্ষণ।

লক্ষ্যভূক্ত গ্রাম

লক্ষ্যভূক্ত পরিবারের সদস্য

চলমান কার্যক্রম

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

বয়স্ক ভাতা।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন

৬৫ বৎসর ও তদুর্ধ দুঃস্থ এবং অসচ্ছল পুরুষ ও মহিলা

৩ মাস পরপর

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন

৩০ বৎসরের উর্ধে সকল ধরনের অসচ্ছল প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলা

৩ মাস পরপর

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

প্রতিবন্ধীদের পরিচয়পত্র প্রদান।

উপজেলা সমাজসেবা অফিস

সকল ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি

চলমান কার্যক্রম

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার

প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপবৃত্তি।

উপজেলা সমাজসেবা অফিস

বিদ্যালয়ে অধ্যয়ণরত সকল স্তরের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী

৩ মাস পরপর

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার,

ইউনিয়ন সমাজকর্মী,কারিগরী প্রশিক্ষক

স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ সংস্থা নিবন্ধন ও তত্ত্বাবধান।

উপজেলা সমাজসেবা অফিস

স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রমে

আগ্রহী সংগঠন,প্রতিষ্ঠান,

ক্লাব,সংস্থা,সমিতি ইত্যাদি

চলমান কার্যক্রম

উপজেলা সমাজসেবা

  • সমাজসেবা বিষয়ক
    • বিধবাভাতা
    • বয়স্ক ভাতা
    • প্রতিবন্ধী ভাকা
    • প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী ভাত
    •  
    • বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমঃ
    • অসহায় ও দুঃস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয় হল বয়স্কভাতা কার্যক্রম। যুগান্তকারী এ কার্যক্রম ১৯৯৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে  শুরু হয়। ৬৫ বা তদুর্ধ বয়স্ক  দুঃস্থ ব্যক্তিদের মাসিক ৩০০/= টাকা হারে বয়স্কভাতা দেয়া হয়। ওয়ার্ড পর্যায়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রাথমিক ভাবে ভাতাভোগী বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত তালিকা পৌরসভা/উপজেলা কমিটি কর্তৃক চুড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে তালিকাভুক্তদের নামে ভাতা বহি পাশ হবার পরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় প্রত্যেক ভাতাভোগীর একাউন্ট খুলতে হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ উক্ত একাউন্টের মাধ্যমে ভাতা পরিশোধ করেন।
    •  
  • বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতা
    বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা (স্বামী কর্তৃক তালাক প্রাপ্তা বা অন্য কোন কারণে অন্ততঃ ২ বছর যাবৎ স্বামীর সংগে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বা একত্রে বসবাস করেন না) দুঃস্থ মহিলাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য ১৯৯৯ সালের জুলাই মাস হতে সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতা প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়। ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে এ কার্যক্রম মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যম্ত করা হয়। ২০১০-২০১১অর্থ বছর হতে এ কার্যক্রম পুনরায় সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে ১,৬৩৪জন  মাসিক ৩০০/= টাকা হারে এ ভাতা পাচ্ছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর/সংরিক্ষত আসনের ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে ওয়ার্ড কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে ভাতাভোগী বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত তালিকা পৌরসভা/উপজেলা কমিটি কর্তৃক চুড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে তালিকাভুক্তদের নামে ভাতা বহি পাশ হবার পরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় প্রত্যেক ভাতাভোগীর একাউন্ট খুলতে হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ উক্ত একাউন্টের মাধ্যমে ভাতা পরিশোধ করেন।
  •  

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মোট জনসংখ্যার ১০% প্রতিবন্ধী। পিছিয়ে থাকা অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীকে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে আনার জন্য  ২০০৫-০৬ অর্থ বছরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানের জন্য তালিকা প্রস্তুত করেন। উক্ত তালিকা পৌরসভা/উপজেলা কমিটি কর্তৃক
চুড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে তালিকাভুক্তদের নামে ভাতা বহি পাশ হবার পরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় প্রত্যেক ভাতাভোগীর একাউন্ট খুলতে হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ উক্ত একাউন্টের মাধ্যমে ভাতা পরিশোধ করেন।

 

মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা
বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। দেশ মাতৃকার জন্য চরম আত্মত্যাগকারী মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন। ২০০০-২০০১ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণায়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাপ্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে অসহায় মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নামে কার্যক্রমটি শুরু হয়। তার পর অসচ্ছলমুক্তিযোদ্ধা ভাতা এবং  সর্বশেষে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা নামে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ কার্যক্রমটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত গেজেট কিংবা কমপক্ষে ২ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা/বিধবা স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পান। 

দেখুন/ডাউনলোড করুন

 

 

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচী
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সামাজিক নিরাপত্তা সেবা দেয়ার জন্য ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  প্রাথমিক স্তরের জন্য মাসিক ৩০০/-টাকা হারে ১৩জন,মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০/-টাকা হারে ১৩জন, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০/=টাকা হারে ২ জন এবং উচ্চ স্তরে ১,০০০/=টাকা হারে ২জন মোট ৩০জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাচ্ছে।

ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম
পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম (আরএসএস),পল্লী মাতৃকেন্দ্রের মাধ্যমে জাতীয় জনসংখ্যা কার্যক্রম (আরএমসি) এবং এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম এই ৩ ধরনের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম  চালু রয়েছে। এরএসএস এবং আরএমসি দুই কর্মসূচীতেই পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে  সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ,দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় বৃদ্ধিকরণ, পরিকল্পিত পরিবার গঠণ প্রভৃতি আত্মউন্নয়নমূলক কর্মসূচীতে সম্পৃক্ত করা হয়। এ সকল কার্যক্রমে সফল পরিবারকে ১০% সার্ভিস চার্জে ঋণ প্রদান করা হয় যা ১০টি মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।

পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমে ১,২১২ টি স্কীমের বিপরীতে ২২,৬৪,০০০/= টাকা বিনিয়োগ করা হয় যার আদায়ের হার ৯১%। এ খাতে ৩,০৩৬ টি স্কীমের বিপরীতে ক্রমপুঞ্জিত পুনঃ বিনিয়োগ ৮৫,৭৭,৭০০/=টাকা। পুনঃ বিনিয়োগের আদায়ের হার ৯৫%।


পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রমে ৮৯৮ টি স্কীমের বিপরীতে ১১,৮৫,০০০/= টাকা বিনিয়োগ করা হয় যার আদায়েরহার ৯৮%। এ খাতে ১,৯৪৬ টি স্কীমের বিপরীতে ক্রমপুঞ্জিত পুনঃ বিনিয়োগ ৬০,১২,৭৩৫/=টাকা। পুনঃ বিনিয়োগের আদায়ের হার ৯৩%।

এসিড দগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন কার্যক্রেমে এসিড দগ্ধ এবং প্রতিবন্ধীদের ৫% সার্ভিস চার্জে ঋণ প্রদান করা হয়।এ খাতে ১৪৫ জন এসিড দগ্ধ/ প্রতিবন্ধীর মাঝে ১৪,২৫,৫৮৭/= টাকা বিনিয়োগ করাহয়। এ খাতে ১২৯ টি স্কীমের বিপরীতে মোট পুনঃ বিনিয়োগ ১৭,১৩,২০০/= টাকা।    


স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান
পুঠিয়া  উপজেলায় রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা ৬০টি। এছাড়া পঙ্গু শিশু নিকেতন,সাধনপুর নামে ১টি বেসরকারী এতিমখানা রয়েছে। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি২২ জনের জন্য ১,৮৪,৮০০/=টাকা ক্যাপিটেশন গ্রান্ট পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানে  বর্তমানে মোট ৫০জন নিবাসী (ছেলে ৩৫ জন এবং মেয়ে ১৫)।

 

(সংগ্রহিত)

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

0

বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্কবায়নে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তি ও সহযোগিতার জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, জুরাছড়ি  এর সাথে যোগাযোগ করা যায়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে কার্যালয়ের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ০১৫৫৭৩১৪২৯৬। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে বাস্তবায়নযোগ্য কাজ  ইউনিয়ন পর্যায়ের  পরিচালনা করেন।



Share with :

Facebook Twitter